Cat Health

রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম, সময়কাল ও ডোজ সম্পর্কে বিস্তারিত

রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম

রাতের বেলা রিফাত বাসার সামনে বসে ফোন স্ক্রল করছিল। হঠাৎ পাশের গলিতে একটা আওয়াজ শুনে তাকায়, দেখে একটা পথকুকুর খুবই অস্বাভাবিক আচরণ করছে—ফেনা ওঠা মুখ, এলোমেলো ছুটোছুটি। এমন দৃশ্য সে আগে দেখেনি!

ঠিক তখনই পাশের বাড়ির ছোট্ট সোহান দৌড়ে গলিতে ঢুকল, কিন্তু তার আগেই কুকুরটি তাকে কামড়ে দিল। মুহূর্তের মধ্যে চিৎকার, আতঙ্ক, সবাই ছুটে এল। কী করা উচিত? অনেকেই বলল, “ধুয়ে রাখ, কিছু হবে না!” আবার কেউ বলল, “এটা জলাতঙ্ক হতে পারে!” রিফাত বুঝতে পারল, এমন পরিস্থিতিতে দেরি করা মানেই বিপদ ডেকে আনা। সে দ্রুত গুগলে সার্চ করল—”কুকুর কামড়ালে কী করতে হবে?” 

আপনিও কি জানেন, কুকুর বা বিড়াল কামড়ালে কীভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হয়? রেবিস ভ্যাকসিন কখন, কীভাবে, কতটা নিতে হয়? আজকের এই লেখায় আমরা সেটাই বিস্তারিত জানব, যাতে ভুল সিদ্ধান্তের কারণে বড় বিপদ এড়ানো যায়।

জেনে রাখুন যে, জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক রোগ, কিন্তু সময় মতো ভ্যাকসিন নিলে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই কুকুর বা বিড়াল কামড়ালে রেবিস ভ্যাকসিন (Rabies vaccine) নেওয়ার নিয়ম, সময়কাল এবং ডোজ সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা খুবই জরুরি। আজকের ব্লগ পোস্টে আমরা রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো, যাতে আপনি এবং আপনার পরিবার সুরক্ষিত থাকতে পারেন।

কুকুর কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয়?

অবশ্যই! কুকুর কামড়ালে দ্রুত রেবিস ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত। কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্কের ঝুঁকি থাকতে পারে, বিশেষ করে যদি কুকুরটি রেবিস ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। তবে প্রতিটি কুকুরের কামড়ে ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন হয় না। যদি কুকুরটি গৃহপালিত এবং নিয়মিত টিকা নেওয়া থাকে, তবে ঝুঁকি কম। কিন্তু বিপথগামী বা অজানা কুকুরের ক্ষেত্রে সতর্কতা হিসেবে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন (ARV) নেওয়া উচিত। কামড়ের তীব্রতা এবং অবস্থানের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন। গভীর ক্ষত বা রক্তপাত হলে ইমিউনোগ্লোবুলিন (RIG) সহ ভ্যাকসিন প্রয়োজন হতে পারে।

কুকুর কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়?

কুকুর কামড়ানোর পর যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত। সাধারণত, কামড়ানোর পর প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন শুরু করা ভালো। তবে, দেরি হলেও ভ্যাকসিন নেওয়া বন্ধ করা উচিত নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে, কামড়ানোর পরে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন শুরু করলে এটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর হয়। কেননা, রেবিস ভাইরাস স্নায়ুতন্ত্রে পৌঁছানোর আগে টিকা নিলে এটি কার্যকর হয়। সাধারণত কামড়ের ১০ দিনের মধ্যে টিকা নেওয়া গেলে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। 

বিড়াল কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয়?

হ্যাঁ, বিড়াল কামড়ালেও রেবিস ভ্যাকসিন নিতে হয়। অনেক মানুষ মনে করেন বিড়ালের কামড় তেমন ক্ষতিকর নয়, তাই ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। বিড়ালের নখ বা দাঁতের মাধ্যমে রেবিস ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করতে পারে। যদিও কুকুরের তুলনায় এটি কম। গৃহপালিত বিড়াল যদি টিকা নেওয়া থাকে এবং সুস্থ থাকে, তবে ভ্যাকসিনের প্রয়োজন নাও হতে পারে। কিন্তু বন্য বা অজানা বিড়ালের কামড়ে অ্যান্টি-রেবিস ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত। ক্ষতের গভীরতা এবং রক্তপাতের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন।

বিড়াল কামড়ালে কত দিনের মধ্যে টিকা দিতে হয়?

বিড়াল কামড়ানোর ক্ষেত্রেও কুকুর কামড়ানোর মতোই দ্রুত ভ্যাকসিন নেওয়া উচিত। কামড়ানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন শুরু করা সবচেয়ে ভালো। রেবিস ভাইরাসের সুপ্তাবস্থা দীর্ঘ হওয়ায় ১০ দিনের মধ্যে টিকা নিলেও এটি কার্যকর হতে পারে। তবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ। কামড়ের পর প্রাণীটি ১০ দিন সুস্থ থাকলে টিকার প্রয়োজনীয়তা কমে যায়।

জলাতঙ্ক হলে কত দিনে রোগ প্রকাশিত হয়?

জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ সাধারণত কামড়ানোর কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাসের মধ্যে দেখা দিতে পারে। তবে, এটি নির্ভর করে কামড়ের স্থান এবং ভাইরাসের পরিমাণের ওপর। যেমন মাথা বা ঘাড়ের কাছে কামড় হলে লক্ষণ দ্রুত (১-২ সপ্তাহ) প্রকাশ পেতে পারে। ভাইরাস মস্তিষ্কে পৌঁছাতে যত বেশি সময় নেয়, লক্ষণ প্রকাশ হতে তত দেরি হয়। কিছু ক্ষেত্রে, লক্ষণ প্রকাশ হতে কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে।

জলাতঙ্ক টিকার মেয়াদ কতদিন?

জলাতঙ্ক টিকার মেয়াদ বলতে এর কার্যকারিতার সময়কাল বোঝায়। জলাতঙ্ক টিকার মেয়াদ সাধারণত একবার সম্পূর্ণ ডোজ নিলে ৩ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত থাকে। তবে, যদি কেউ আগে ভ্যাকসিন নিয়ে থাকেন এবং আবার কোনো প্রাণী কামড়ায়, তাহলে বুস্টার ডোজ নিতে হয়। বুস্টার ডোজের মাধ্যমে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। পোস্ট-এক্সপোজার টিকা কামড়ের পর তাৎক্ষণিক সুরক্ষা দেয়, তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি নয়।

রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম

রেবিস ভ্যাকসিন দুইভাবে দেওয়া হয়। যেমন – প্রোফাইল্যাকটিক (প্রতিরোধমূলক) ডোজ: যারা জলাতঙ্ক ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় আছেন (যেমন পশু চিকিৎসক), তারা এই টিকা নিতে পারেন।

অন্যদিকে, পোস্ট-এক্সপোজার প্রোফিল্যাক্সিস (PEP) ডোজ: যাদেরকে কুকুর, বিড়াল বা অন্যান্য জলাতঙ্ক বহনকারী প্রাণী কামড়িয়েছে, তাদের এই টিকা নিতে হয়। 

এবার জানা যাক কোন উপায়ে দেয়া হয়। এটা জানতে বুজতে হবে ভ্যাকসিনেশন শিডিউল। সাধারণত দুইটি শিডিউলে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়:

১) ইন্ট্রামাস্কুলার (IM): এই পদ্ধতিতে বাহুর মাংসপেশিতে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ০, ৩, ৭ এবং ১৪ দিনে চারটি ডোজ দেওয়া হয়।

২) ইন্ট্রাডার্মাল (ID): এই পদ্ধতিতে চামড়ার নিচে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ০, ৩, এবং ৭ দিনে ৪টি ডোজ দেওয়া হয়। প্রতিটি ডোজে দুটি স্থানে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

ভ্যাক্সিন দেয়ার নিয়ম

১) ভ্যাকসিন দেওয়ার আগে ক্ষত স্থানটি ভালোভাবে সাবান ও জল দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এর পরে অ্যান্টিসেপটিক যেমন পোভিডন আয়োডিন (Povidone-iodine) ব্যবহার করতে হবে।

২)  যদি কোনো ব্যক্তির গভীর ক্ষত থাকে বা মুখ, মাথা অথবা ঘাড়ে কামড় লাগে, তাহলে ভ্যাকসিনের পাশাপাশি রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন (RIG) দেওয়ার প্রয়োজন। কেননা, RIG সরাসরি ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং দ্রুত সুরক্ষা প্রদান করে।

৩) যদি কোনো ব্যক্তি আগে রেবিস ভ্যাকসিন নিয়ে থাকেন, তাহলে তাকে হয়তো সম্পূর্ণ ডোজের প্রয়োজন হবে না। সেক্ষেত্রে চিকিৎসক একটি বা দুটি বুস্টার ডোজ দিতে পারেন।

রেবিস ভ্যাকসিন ডোজ শিডিউল 

রেবিস ভ্যাকসিনের ডোজ নির্ভর করে ভ্যাকসিনের ধরন এবং রোগীর অবস্থার ওপর। সাধারণত দুই ধরনের ভ্যাকসিন পাওয়া যায়:

১) ইন্ট্রামাসকুলার (IM) ভ্যাকসিন: এই ভ্যাকসিনটি মাংসপেশিতে দেওয়া হয়। সাধারণত ০, ৩, ৭ এবং ১৪ দিনে চারটি ডোজ দেওয়া হয়। কিছু ক্ষেত্রে ২৮ দিনে আরও একটি ডোজ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে:  

  • প্রথম ডোজ: যেদিন কামড়ানো হয়েছে।
  • দ্বিতীয় ডোজ: কামড়ানোর ৩ দিন পর।
  • তৃতীয় ডোজ: কামড়ানোর ৭ দিন পর।
  • চতুর্থ ডোজ: কামড়ানোর ১৪ দিন পর।

২) ইন্ট্রাডার্মাল (ID) ভ্যাকসিন: এই ভ্যাকসিনটি চামড়ার নিচে দেওয়া হয়। এটি অপেক্ষাকৃত নতুন পদ্ধতি এবং বাংলাদেশে এটি প্রচলিত। এই পদ্ধতিতে ০, ৩ এবং ৭ দিনে দুটি করে ডোজ দেওয়া হয়।

  • প্রথম ডোজ: যেদিন কামড়ানো হয়েছে সেদিন দুই হাতে দিতে হবে।
  • দ্বিতীয় ডোজ: কামড়ানোর ৩ দিন পর দুটি স্থানে দিতে হবে।
  • তৃতীয় ডোজ: কামড়ানোর ৭ দিন পর দুটি স্থানে দিতে হবে।

রেবিস ভ্যাকসিন এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

যে কোনো ভ্যাকসিনের মতো, রেবিস ভ্যাকসিনেরও কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। তবে, এগুলি সাধারণত মৃদু এবং কয়েক দিনের মধ্যে সেরে যায়। কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নিচে উল্লেখ করা হলো:

  • ইনজেকশন দেওয়ার স্থানে ব্যথা, ফোলা বা লালচে ভাব।
  • মাথা ব্যথা।
  • হালকা জ্বর।
  • বমি বমি ভাব।
  • ক্লান্তি বা দুর্বলতা।
  • পেশিতে ব্যথা।

এক্ষেত্রে খুব গুরুতর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সাধারণত দেখা যায় না। তবে, যদি কোনো গুরুতর লক্ষণ দেখা যায়, যেমন শ্বাসকষ্ট, মুখ বা গলায় ফোলা, বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

রেবিস ভ্যাকসিন এর কার্যকারিতা কতদিন থাকে?

রেবিস ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা দীর্ঘস্থায়ী হয়। একবার সম্পূর্ণ ডোজ নিলে, এটি ৩ মাস থেকে ১ বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দিতে পারে। তবে, যদি কোনো ব্যক্তি পূর্বে ভ্যাকসিন নিয়ে থাকেন এবং পরবর্তীতে আবার কোনো rabid animal অথবা সন্দেহজনক প্রাণী কামড়ায়, তাহলে বুস্টার ডোজ নিতে হয়। বুস্টার ডোজ শরীরে অ্যান্টিবডির মাত্রা বাড়িয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে।

রেবিস ভ্যাকসিন এর দাম বাংলাদেশে কত টাকা?

বাংলাদেশে রেবিস ভ্যাকসিনের দাম নির্ভর করে ভ্যাকসিনটি কোন হাসপাতাল বা ক্লিনিকে দেওয়া হচ্ছে তার ওপর। সরকারি হাসপাতালে এই ভ্যাকসিন বিনামূল্যে পাওয়া যায়। বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে ভ্যাকসিনের দাম ৫০০ টাকা প্রতি ডোজ। এছাড়াও, ইমিউনোগ্লোবুলিনের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি, যা প্রায় ২০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে, 

বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি কোনো হাসপাতালে ভ্যাকসিন স্টকে নেই, যার কারণে বাইরে ফার্মেসি থেকে কিনে এনে দিতে হয়। আর সরকারি হাসপাতালের নিয়ম হলো ১টি ভ্যাকসিন ৪ জনকে দেয়া হয়। এক্ষেত্রে ভ্যাকসিন দিতে আসা লোক গুলো একত্র হয়ে (৪জন) একটি ভ্যাকসিন ক্রয় করে (যার দাম ৫০০ টাকা) এরপর সেটিই ৪ জন দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে প্রতি জনের খরচ হয় ১২৫ টাকা করে। এভাবে মোট ৩ দিন দিতে হয়। 

কুকুর কামড়ালে কয়টি টিকা দিতে হয়?

কুকুর কামড়ালে কয়টি টিকা দিতে হয়, তা নির্ভর করে আপনি আগে ভ্যাকসিন নিয়েছেন কিনা তার উপরে। আগে ভ্যাকসিন না নিয়ে থাকলে সাধারণত চারটি টিকা নিতে হয়। এই টিকাগুলো হলো:

  • ১ম ডোজ: যেদিন কুকুর কামড়াবে।
  • ২য় ডোজ: ৩ দিন পর।
  • ৩য় ডোজ: ৭ দিন পর।
  • ৪র্থ ডোজ: ১৪ দিন পর।

যদি আগে ভ্যাকসিন নেওয়া থাকে, তাহলে বুস্টার ডোজ হিসেবে ১টি বা ২টি টিকা যথেষ্ট।

বিড়াল কামড়ালে কয়টি ভ্যাকসিন দিতে হয়?

বিড়াল কামড়ালে ভ্যাকসিনের নিয়ম কুকুর কামড়ানোর মতোই। আগে ভ্যাকসিন না নেওয়া থাকলে চারটি ডোজ নিতে হবে। আর যদি আগে ভ্যাকসিন নিয়ে থাকেন, তাহলে বুস্টার ডোজ হিসেবে একটি বা দুটি ভ্যাকসিনই যথেষ্ট।

চূড়ান্ত মন্তব্য 

জলাতঙ্ক একটি মারাত্মক রোগ, কিন্তু সময় মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে এটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। রেবিস ভ্যাকসিন জলাতঙ্কের বিরুদ্ধে একটি কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা। কুকুর বা বিড়াল কামড়ানোর পর দ্রুত টিকা নেওয়া জীবন বাঁচাতে পারে। সঠিক সময়সূচী মেনে রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়ার নিয়ম অনুসরণ করে টিকা নিলে এই মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। 

author-avatar

About Salim Mahamud

I am the author of PriyoPets. Here I publish very helpful content about cat health, cat food, cat behavior, and other things that a cat owner needs to know. Personally, I am also a cat lover, and I have two cats also, so I have good knowledge about it.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *